সুব্রতদা – একটি নিভৃত জীবন

সুব্রতদা চলে গেল। কোনো আগাম নোটিস না দিয়েই। এটা ঠিক না, কিন্তু কী করা যাবে, এরকম হামেশা ঘটছে। হঠাৎ হঠাৎ করে কোনো না কোনো প্রিয়জন কোনো আগাম নোটিস না দিয়েই চিরকালের মত চলে যাচ্ছে। কিছু বলার নেই। কালধ্বনির আড্ডায় আমার…

Comments Off on সুব্রতদা – একটি নিভৃত জীবন

সুব্রত দা : আমার দেখায়, আমার পরিচয়ে

সুব্রত দা'কে প্রথম দেখেছি বইমেলায়। কালধ্বনির টেবিলে বসে আছেন একটা চেয়ারে , বেশ সোজা হয়েই, হাত দুটো কোলের ওপর জড়ো করা। কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। ঘাড় ঈষৎ বাঁ দিকে কাৎ। আর শেষ দেখলাম, ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালের ফ্রিজারে শোয়ানো। তার বিশদ বিবরণে গেলাম…

Comments Off on সুব্রত দা : আমার দেখায়, আমার পরিচয়ে

জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার রয়েছো দাঁড়ায়ে

লিখলাম বটে, কারণ খুব সহজ হয়ে গেছে এইসব কথা লেখা! ভাবতেই অবাক লাগছে তোর মৃত্যুর পর আমি তোর স্কেচ করছি, লিখছি কালধ্বনির পাতায়! অনেকেই  লিখবেন! তুই এখন আর দেখতেও পাবি না এইসব লেখালিখি! আমার বানান ভুল হবে! ঠিক করার লোক…

Comments Off on জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে বন্ধু হে আমার রয়েছো দাঁড়ায়ে

রাত্রিকুসুম

একটা সবুজ মানুষ নদীর পাশে শেকড় ছড়িয়ে আকাশে হেলান দিয়ে মিটিমিটি হাসতো; মাথায় পাতার মুকুট আর চুঁইয়ে নামা আলোর ঝিরিঝিরি নকশা সারামুখে, ডালেডালে তার পাখি আর পরীদের বাসা; পাখিরা রোজ ওর ঘুমভাঙার আগে উড়ে যেতো ভোরবেলার ভেতর, আর বিকেল-কণিকা ঠোঁটে…

Comments Off on রাত্রিকুসুম