পঞ্চাশের অন্ধকার

মুখগুলো যেমন ভাঙাচোরা। অনেকটা ফুটিফাটা, ভাঙা কাচের আয়নার ওপর মানুষের প্রতিফলন পড়লে যেমন মানুষের ভঙাচোরা অস্তিত্ব তৈরি হয়, ঠিক তেমনই অদ্ভুত ছায়াময় সব অস্তিত্ব আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। গোটা একটা মানুষ আমি আর দেখি না। মানুষের বদলে ছোট ছোট…

Comments Off on পঞ্চাশের অন্ধকার

সেই জামগাছ ও আমরা

এই অনাথিনীকে দিয়েই শুরু করা যাক। সৃষ্টির সেই আদিম লগ্নে এর জন্ম। তারপর যা হয় এসব ক্ষেত্রে, কত রোদের আদর, কত বৃষ্টির সোহাগ, কত ঝড়ের তাণ্ডব সয়ে এরা বাড়তে থাকে। বাড়া মানে তো আড়ে বহরে বেড়ে ওঠা নয়, বাড়ে দেখাশোনায়…

Comments Off on সেই জামগাছ ও আমরা

কুয়াশা পেরিয়ে

এক গোপন কথাটি পিছনে ফিরতে ইচ্ছে করছিল না কিছুতেই। কী যেন হাতছানি দিয়ে ডেকে চলেছে সিমিকাকে। কে আছে ওখানে? কী আছে? কুয়াশা ক্রমশ ঘন। সাদা অন্ধকারের ভিতর কয়েকটা কালো ঝাপসা দাগ, ওগুলো পাইন বা রডোড্রেনডন হবে হয়ত। ওখানেই কী সে…

Comments Off on কুয়াশা পেরিয়ে

দেয়াল

হন্তদন্তপ্রায় দ্বিজপদ ঘরে ঢুকেই হাত বাড়িয়ে সুইচ বাজালেন, টিপ বোতামি ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের কান মুচড়ে তুললেন শেষ গিয়ারে, মান্ধাতাকেলে সিলিং ফ্যানটা জান লড়িয়ে কাঁচক্যাঁচাচ্ছে, বসে পড়লেন ধপাস হাতলওলা হেলান চেয়ারটায় নোটিস ছাড়াই যেটা তারই জন্য সংরক্ষিত, হাঁপাচ্ছেন, শান্ত হতে সময় খাবে।…

0 Comments

চন্দ্রাহত

হুটারের শব্দটা আসছিল। এরপর হেডলাইটের আলো চোখে পড়াতে দীপনরা বুঝল, এবার আসছে। ইতিউতি ছড়ানো মানুষগুলো সচেতন হয়ে উঠল, একজায়গায় এসে জড়ো হল। বিকেলের আলো মরে আসছে। গাড়িটা এসে পড়েছে। সামনে লেখা ‘স্বর্গরথ’! এই সময়েও দীপন একটু হাসল। স্বর্গেই যেতে চেয়েছিল…

0 Comments